Assignment

এসএসসি ২০২১ ব্যবসায় উদ্যোগ চতুর্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর দেখুন | PDF Download

কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB) কর্তিক প্রণয়নকৃত 2021 সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য পূর্ণ বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচির আলোকে চতুর্থ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রকাশ করেছে শিক্ষা অধিদপ্তর এর অফিসিয়াল (http://www.dshe.gov.bd/) ওয়েবসাইটে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অ্যাসাইনমেন্ট নির্দেশনায় বলা হয়েছে সকল শিক্ষার্থীকে এসাইনমেন্ট করা বাধ্যতামূলক।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এসএসসি ২০২১ সালের পরীক্ষার্থীদের চতুর্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশিত হওয়া মাত্রই আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে তা প্রকাশ করে দিয়েছি। আপনারা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে এসএসসি ২০২১ সালের চতুর্থ সপ্তাহের সকল অ্যাসাইনমেন্ট পেয়ে যাবেন।

এসএসসি ২০২১ ব্যবসায় উদ্যোগ চতুর্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট

এসএসসি ২০২১ সালের শিক্ষার্থীদের চতুর্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশিত হয়েছে। এসএসসি ২০২১ ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের চতুর্থ সপ্তাহে অ্যাসাইনমেন্টে যে সাবজেক্ট গুলোর হৃদয় তো কাজ দেওয়া হয়েছে তা হল, ব্যবসায় উদ্যোগ, হিসাববিজ্ঞান, ফিনান্স,উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন।

আপনারা আজকে পোস্টের মধ্যে এসএসসি ২০২১ চতুর্থ সপ্তাহের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ব্যবসায় উদ্যোগ এর উত্তর পেয়ে যাবেন। আমরা আমাদের ওয়েবসাইট নেক্সট রেজাল্ট বিডি তে সকল বিষয়ের উত্তর আলাদা আলাদাভাবে প্রকাশ করেছি। আপনারা খুব সহজেই এখানে থেকে সকল বিষয়ের উত্তর জেনে নিতে পারবেন এবং পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। তাই আর দেরি না করে এখনি জেনে নিন চতুর্থ সপ্তাহের সকল এসাইনমেন্ট এর উত্তর।

২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের চতুর্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট ব্যবসা উদ্যোগের বিস্তারিত নিচের ছবিতে দেওয়া হল।
SSC-2021-4th-page-008

আরও দেখুন: এইচএসসি ২০২১ ৩য় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর দেখুন | মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ PDF Download

এসএসসি ২০২১ ব্যবসায় উদ্যোগ চতুর্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী এসএসসি 2021 শিক্ষার্থীদের চতুর্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট নির্দেশনা অনুযায়ী নমুনা উত্তর নিচে দেওয়া হল।

“ক” নং প্রশ্নের উত্তর:

ব্যবসায় উদ্যোগ এর ধারণা:

উদ্যোগ ও ব্যবসায় উদ্যোগ এর শব্দ দুটির মধ্যে মিল থাকলে দুইটির ধারণা একেবারেই ভিন্ন ধর্মের। সাধারণ অর্থে উদ্যোগ হলে কোন কিছু করার পরিকল্পনা। তবে উদ্যোগ যে কোন বিষয়ের উপর হতে পারে। একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা যাক। এলাকার যুবক মিলে বর্তমানে করণা পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করল এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আরও কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করল। মূলত এটি একটি জনসেবা মূলক বা সামাজিক উদ্যোগ।

অপরদিকে লাভের আশায় ঝুঁকি আছে জেনেও ব্যবসায় পরিচালনা করাকে ব্যবসায় উদ্যোগ বলে। যিনি ব্যবসায় উদ্যোগ গ্রহণ করেন তিনি ব্যবসায় উদ্যোক্তা। যেমন: করিম সাহেব একজন দর্জি। তিনি দর্জি ব্যবসায় অনেক টাকা লোকসান করার পর সকল কিছু বিবেচনা করে লাভের আশায় মুদি ব্যবসা করার উদ্যোগ নিলেন। মূলত এই উদ্যোগ হলো ব্যবসায় উদ্যোগ। কারণ ব্যবসায় অনিশ্চয়তা, ঝুঁকি, মুনাফা বিদ্যমান।

“খ” নং প্রশ্নের উত্তর:

ব্যবসায় উদ্যোগ এর বৈশিষ্ট্য:

যেকোনো কিছু উদ্যোগকে ব্যবসা বলা যায়না। তাই কোন উদ্যোগকে ব্যবসায় উদ্যোগ বলে বিবেচিত করার জন্য নিম্নোক্ত কয়েকটি বৈশিষ্ট্য থাকা প্রয়োজন:

  • একজন উদ্যোক্তার সকল কার্যাবলী কে উদ্যোগ বলা হয়। লক্ষ্য হলো নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা।
  •  একটি ব্যবসায় বাঁশ শিল্প স্থাপনের একটি কর্মপ্রচেষ্টা বা পরিকল্পনা অর্থাৎ নতুন কিছু সৃষ্টির পরিকল্পনা করে তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে ব্যবসায় উদ্যোগ এর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
  • ব্যবসায় উদ্যোগ কে একটি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায়। কারণ ঝুঁকি আছে জেনেও লাভের আশায় নতুন কোন ব্যবসায় বিনিয়োগ ও তা পরিচালনা করা হয়।
  •  ব্যবসায় উদ্যোগ এর সফলতা নির্ভর করে উদ্যোক্তার সাহস, মেধা ও সাংগঠনিক ক্ষমতা প্রদর্শনের উপর।
  • ব্যবসায় উদ্যোগ ও সৃজনশীলতা ও নৈপুণ্য প্রদর্শন এর একটি ক্ষেত্র। ব্যবসায় উদ্যোগ প্রকৃতপক্ষে একটি উদ্ভাবনকে ধারণা করে সৃষ্ট হয় এবং উক্ত উদ্ভাবনকে কর্ম ক্ষেত্রে প্রয়োগের চেষ্টা করে।
  • ব্যবসায় উদ্যোগ দেশে আয় বৃদ্ধি ও বেকার সমস্যার সমাধান সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে।
  • ব্যবসা উদ্যোগের ফলে মুনাফা অর্জনের পাশাপাশি উদ্যোক্তাগণের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ব্যবসা উদ্যোগ তাদের সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ ও অনুপ্রাণিত করে।

উপরে উল্লেখিত বৈশিষ্ট্যগুলো ছাড়াও আরো অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে ব্যবসা উদ্যোগের। তবে উপরে উল্লেখিত বৈশিষ্ট্যগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ। একজন ব্যক্তির মধ্যে যদি এই বৈশিষ্ট্যগুলো থাকে তাহলে তিনি অবশ্যই সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে পারবেন।

“গ” নং প্রশ্নের উত্তর:

আত্মকর্মসংস্থান এর ধারণা: নিজেই নিজের কর্মসংস্থান করাকে আত্মকর্মসংস্থান বলা হয়। তবে আর একটু স্পষ্ট করে যদি বলা যায়, নিজস্ব অথবা আরিন করা স্বল্প সম্পদ, নিজস্ব চিন্তাভাবনা, জ্ঞান বুদ্ধিমত্তা ও নিজের দক্ষতা কে কাজে লাগিয়ে ন্যূনতম ঝুঁকি নিয়ে আত্মপ্রতিষ্ঠায় জীবিকা অর্জনের ব্যবস্থাকে আত্মকর্মসংস্থান বলা হয়ে থাকে। যদিও এক কথায় বললে নিজেই নিজের কর্মসংস্থান করাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে।

আত্মকর্মসংস্থানে গুরুত্ব হচ্ছে বেকারত্ব দূর করা। আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে মানুষ নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে সামাজিক অভিশাপ বেকারত্ব থেকে মুক্তি পায়। আমাদের দেশে অনেক সরকারি বেসরকারি খাতে চাকরির সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে। হাজার হাজার মেধাবী শিক্ষার্থী কর্মসংস্থানের অভাবে বেকার হয়ে পড়ছে। এ বেকারত্ব দূরীকরণের জন্য আত্মকর্মসংস্থান ছাড়া আমাদের সামনে কোনো বিকল্প পথ নেই।

আত্মকর্মসংস্থান কারীর যেসব গুণাবলী থাকা প্রয়োজন; একজন আত্মকর্মসংস্থান কাজে সফলতা অর্জনের জন্য বেশকিছু গুণাবলীর অধিকারী হতে হয়। নিচে তা উল্লেখ করা হলো:

  • আত্মবিশ্বাস
  • সুযোগের সদ্ব্যবহার এর ক্ষমতা
  • অধ্যাবসায়
  • পুঁজি সংগ্রহের ক্ষমতা
  • উদ্ভাবনী শক্তি
  • স্বাধীনচেতা সাহসী
  • সংবেদনশীল
  • কঠোর পরিশ্রমী
  • নেতৃত্বদানের যোগ্যতা ইত্যাদি।

এছাড়াও একজন সফল আত্মকর্মসংস্থান কারি দেশে বিরাজমান অর্থনৈতিক সুযোগ সুবিধা গুলো চিন্তা করে তারা বাণিজ্যিক লক্ষ্যে ব্যবহার করতে সক্ষম। তারা অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সীমিত সম্পদের মধ্যে পরিকল্পনা তৈরী করেন এবং বাস্তবের জন্য যথোপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

“ঘ” নং প্রশ্নের উত্তর:

আত্মকর্মসংস্থান ও উদ্যোগের মধ্যে সম্পর্ক:

ব্যবসায় উদ্যোগ এর সাথে আত্ম-কর্মসংস্থানের সম্পর্ক খুব নিবিড়। আত্মকর্মসংস্থান এর ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি নিজের কর্মসংস্থানের চিন্তা করে কাজে হাত দেন। একজন আত্মকর্মসংস্থান কারী ব্যক্তি তখন একজন উদ্যোক্তার পরিনত হবেন, যখন তিনি নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সমাজের আরও কয়েকজনের কর্মসংস্থানের চিন্তা নিয়ে কাজ শুরু করেন, ঝুঁকি আছে জেনেও এগিয়ে যান এবং একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। সে ক্ষেত্রে সফল ব্যবসায় উদ্যোগ তাকে আত্মকর্মসংস্থান কারি বলা গেলেও সফল আত্মকর্মসংস্থানকারী কে ব্যবসায় উদ্যোগ তা বলা যায় না। একটা ব্যবসায় উদ্যোক্তা হবেন ওইসব ব্যক্তি যারা নিজের কর্মসংস্থানের সাথে সাথে সমাজের অন্যদেরও কর্মসংস্থানে চিন্তা নিয়ে কাজ করে যেমন একজন ব্যক্তি একটি পোলট্রি খামার করেন যা তিনি নিজে পরিচালনা করেন। এটা হবে শুধু আত্মকর্মসংস্থান। অপরদিকে আর একজন ব্যক্তি একটি খামার গড়ে তোলেন এবং তাতে এলাকার ৫ জন লোককে কাজ দেন।এটি ব্যবসায় উদ্যোগ এর অন্তর্ভুক্ত হবে।

“ঙ” নং প্রশ্নের উত্তর:

ব্যবসায় উদ্যোগ এর কার্যাবলী:

কোনো কিছু করাকে  উদ্যোগ এর ভাষায়  ব্যবসা বলা হয় না । ব্যবসায় উদ্যোগ এর  অনেক ধারণা রয়েছে। প্রধান প্রধান ধারনা  বিশ্লেষণ করলে যে সব  কার্যাবলী লক্ষ্য করা যায় তা নিচে দেওয়া হল:

১. এটি ব্যবসায়ী স্থাপনের কর্ম উদ্যোগ।

২. নতুন নতুন সম্পদ সৃষ্টি করা এবং সেই  সম্পদ থেকে মূলধন গঠন করা।

৩. ঝুঁকি আছে জেনেও লাভের আশায় ব্যবসা পরিচালনা করা।

৪. নিজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

৫. সার্বিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখা।

৬. ব্যবসা উদ্যোগ এর ফলাফল হল একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

৭. ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সফল ভাবে পরিচালনা করা।

৮. অন্যদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

৯. ব্যবসায় উদ্যোগের আরও একটি প্রধান কার্যাবলী হল ফলাফল এবং তার একটি পণ্য বা সেবা।

১০. মুনাফার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা গ্রহণ করা।

উক্ত কার্যাবলী গুলো ছাড়াও ব্যবসা উদ্যোগ এক্ষেত্রে আরও অনেক কার্যাবলী রয়েছে। মূলত ব্যবসা উদ্যোগের ধারণা বিশ্লেষণ করলে প্রধান প্রধান এসকল কার্যালয় লক্ষ্য করা যায়।

আরও দেখুন:

Mehebur Hasan Siam

I am Siam from Charghat, Rajshahi, Bangladesh. My only passion is to be Successful Freelancer. I write Content about all Educational News and Information. I'm working on this Website since July 2021.

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button